দেশে পাবলিক বাসের চলাচলকারী ৪১ শতাংশ নারী যৌন হয়রানির শিকার হন। দুর্ভোগ, যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের আশঙ্কায় পাবলিক বাস এড়িয়ে চলেন ১৩ শতাংশ নারী৷ এখন মাত্র ২০ দশমিক ৭ শতাংশ নারী পাবলিক বাসে যাতায়াত করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের প্ল্যানার্স টাওয়ারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভা কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় একটি গবেষণার আলোকে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মারুফ হোসেন।
‘গণপরিবহনে নারীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দে যাতায়াত নিশ্চিত করতে করণীয়’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে পপুলেশন সার্ভিস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।
সভায় বক্তারা বলেন, নারীদের পাবলিক বাসে নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তারা ভূমিকা রাখতে পারছেন না। যৌন হয়রানির ভয়ে অনেক নারী পাবলিক বাস চড়েন না। কিন্তু বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার বাস্তবায়ন সাপেক্ষে নারীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দে পাবলিক বাস ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার। নারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে পাবলিক বাসের পর্যাপ্ততা, প্রবেশগম্যতা, স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় সাংসদ ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি বলেন, গণপরিবহনে পুরুষদের দ্বারা প্রতিনিয়ত যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন নারীরা। কাজেই তাদের আচরণগত পরিবর্তন আনা দরকার কারণ, নারীদের যথাযথ উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেরও নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।
অ্যাকশন এইড বাংলাদেশর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর বলেন, দেশে ৪৮ শতাংশ নারীর চালক এবং ভাড়া আদায়কারীর কাছ থেকে অপমানজনক ভাষা শোনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই তাদের মনস্তাত্ত্বিক দিক চিন্তা করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের কর্মসূচি নেওয়া দরকার
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান ভাবে অংশ নিতে নারীদের যাতায়াত চাহিদা নিশ্চিত হওয়া অনেক বেশি দরকার৷ এ জন্য নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা বৃদ্ধি, পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, একজন নারীকে গণপরিবহনে যাতায়াতের সিট না পাওয়া, সময় মতো বাস না পাওয়া ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিটি ক্ষেত্রেই হয়রানির শিকার হতে হয়৷ তাই সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকে এই পরিস্থিতি একটি সহনশীল পর্যায়ে আসবে৷
ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভার্সিটি প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাহমিনা ইয়াসমিন বলেন, দেশের ৫১ শতাংশ নারী। এখানে নারীদের সুরক্ষার জন্য কেবল মাত্র আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বাসে মাত্র নয়টি সিট বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীদের জন্য অপ্রতুল। এ সংখ্যা বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ দরকার।
পপুলেশন সার্ভিস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের কম্পোনেন্ট ম্যানেজার (জেন্ডার অ্যান্ড গভর্নেন্স) কানিজ গোফরানী কোরায়শীর সঞ্চালনায় সভায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সচিব শওকত আলী, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম পলিসি ক্যাম্পেইন) শাহানাজ আরেফিন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক আকলিমা খাতুন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর আইনজীবী সেলিনা আকতার প্রমুখ বক্তব্য দেন।
‘গণপরিবহনে নারীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দে যাতায়াত নিশ্চিত করতে করণীয়’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে পপুলেশন সার্ভিস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।
সভায় বক্তারা বলেন, নারীদের পাবলিক বাসে নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত না হওয়ায় দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তারা ভূমিকা রাখতে পারছেন না। যৌন হয়রানির ভয়ে অনেক নারী পাবলিক বাস চড়েন না। কিন্তু বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার বাস্তবায়ন সাপেক্ষে নারীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দে পাবলিক বাস ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার। নারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে পাবলিক বাসের পর্যাপ্ততা, প্রবেশগম্যতা, স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় সাংসদ ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি বলেন, গণপরিবহনে পুরুষদের দ্বারা প্রতিনিয়ত যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন নারীরা। কাজেই তাদের আচরণগত পরিবর্তন আনা দরকার কারণ, নারীদের যথাযথ উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেরও নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।
অ্যাকশন এইড বাংলাদেশর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবীর বলেন, দেশে ৪৮ শতাংশ নারীর চালক এবং ভাড়া আদায়কারীর কাছ থেকে অপমানজনক ভাষা শোনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই তাদের মনস্তাত্ত্বিক দিক চিন্তা করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের কর্মসূচি নেওয়া দরকার
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান ভাবে অংশ নিতে নারীদের যাতায়াত চাহিদা নিশ্চিত হওয়া অনেক বেশি দরকার৷ এ জন্য নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা বৃদ্ধি, পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে হয়রানি ও নির্যাতন বন্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, একজন নারীকে গণপরিবহনে যাতায়াতের সিট না পাওয়া, সময় মতো বাস না পাওয়া ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিটি ক্ষেত্রেই হয়রানির শিকার হতে হয়৷ তাই সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকে এই পরিস্থিতি একটি সহনশীল পর্যায়ে আসবে৷
ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভার্সিটি প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাহমিনা ইয়াসমিন বলেন, দেশের ৫১ শতাংশ নারী। এখানে নারীদের সুরক্ষার জন্য কেবল মাত্র আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বাসে মাত্র নয়টি সিট বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীদের জন্য অপ্রতুল। এ সংখ্যা বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ দরকার।
পপুলেশন সার্ভিস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের কম্পোনেন্ট ম্যানেজার (জেন্ডার অ্যান্ড গভর্নেন্স) কানিজ গোফরানী কোরায়শীর সঞ্চালনায় সভায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সচিব শওকত আলী, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম পলিসি ক্যাম্পেইন) শাহানাজ আরেফিন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক আকলিমা খাতুন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর আইনজীবী সেলিনা আকতার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

0 comments:
Post a Comment