সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগরে একজন মাদ্রাসা সুপারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। একই মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী তাঁকে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে নূরনগর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মাদ্রাসা সুপার বাবুল আক্তার (৪৬) ভুরুলিয়া ইউনিয়নের খড়িতলা সিরাজপুর গ্রামের শেখ আনছার উদ্দীনের ছেলে। কয়েক বছর ধরে তিনি কর্মস্থল নূরনগর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার পাশে রামজীবনপুর গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন। নৈশ প্রহরী কালাম গাজী নূরনগর গ্রামের বাসিন্দা। নিয়োগসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই মাদ্রাসার সহকারী সুপার আবদুল জব্বার ও সহকারী শিক্ষক লিয়াকত হোসেন বলেন, মাদ্রাসা সুপারের সঙ্গে কালাম গাজীর দ্বন্দ্ব চলছিল। শুরুতে কালাম গাজীকে দপ্তরি পদে চাকরি দেওয়ার পর মাদ্রাসা সুপার তাঁর নিজ শ্যালককে একই পদে নিয়োগ দেন। ওই সময় থেকে কালাম গাজীকে নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু দপ্তরি হিসেবে কাজে যোগ দেওয়ার পর নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালনে শুরু থেকে অনীহা ছিল কালাম গাজীর। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কালাম গাজী এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় ছাত্র সংসদের নির্বাচন ছিল। নির্বাচনসহ প্রতিষ্ঠানের দৈনিক কার্যক্রম শেষে বেলা দুইটার দিকে মাদ্রাসার সুপার বাবুল আক্তার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বলেন, কালাম গাজীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মাদ্রাসা সুপারের লাশ নূরনগর ইউপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আছে।
ওই মাদ্রাসার সহকারী সুপার আবদুল জব্বার ও সহকারী শিক্ষক লিয়াকত হোসেন বলেন, মাদ্রাসা সুপারের সঙ্গে কালাম গাজীর দ্বন্দ্ব চলছিল। শুরুতে কালাম গাজীকে দপ্তরি পদে চাকরি দেওয়ার পর মাদ্রাসা সুপার তাঁর নিজ শ্যালককে একই পদে নিয়োগ দেন। ওই সময় থেকে কালাম গাজীকে নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু দপ্তরি হিসেবে কাজে যোগ দেওয়ার পর নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালনে শুরু থেকে অনীহা ছিল কালাম গাজীর। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কালাম গাজী এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় ছাত্র সংসদের নির্বাচন ছিল। নির্বাচনসহ প্রতিষ্ঠানের দৈনিক কার্যক্রম শেষে বেলা দুইটার দিকে মাদ্রাসার সুপার বাবুল আক্তার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বলেন, কালাম গাজীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মাদ্রাসা সুপারের লাশ নূরনগর ইউপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আছে।

0 comments:
Post a Comment