ফরিদপুর: ফরিদপুরের নগরকান্দায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৯৭ জন শিক্ষক সরকার ঘোষিত বাংলা নববর্ষের উৎসবভাতা পাননি।
পহেলা বৈশাখের আগের দিন বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উৎসবভাতা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে চেক জমা দিয়ে তারা জানতে পারেন, তাদের ব্যাংক হিসাবে বুধবার পর্যন্ত কোনো টাকা জমা হয়নি। পরে তারা উপজেলা শিক্ষা অফিস ও হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়েও কোনো সমাধান পাননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা উৎসব ভাতা না পেলেও, আমাদের অফিসের কর্মকর্তারা ঠিকই তাদের ভাতা উত্তোলন করতে পেরেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ৭ এপ্রিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে বিল জমা দিয়েছি। আমার অফিস সহকারী শেখ শাহ আলম ও আতিয়ার রহমান বিল তৈরি করতে গিয়ে হিসাবে ভুল করায় ১২ এপ্রিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিলের কাগজ ফেরত পাঠিয়েছে। হিসাবরক্ষণ অফিস যদি আরও আগে বিলের কাগজ ফেরত পাঠাতো তাহলে যথাসময়ে কাগজ সংশোধন করে শিক্ষকদের ভাতা দেওয়া সম্ভব হতো।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আমিরুল হক বিশ্বাস বলেন, শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিলের কাগজ আমার দফতরে ১২ এপ্রিল পৌঁছায়। বিলের কাগজে হিসাবে ভুল থাকায় ওই দিনই আমরা সংশোধনের জন্য শিক্ষা অফিসে পাঠিয়েছি। তারা সময় মতো বিলের কাগজ সংশোধন করতে না পারায় পহেলা বৈশাখের আগে শিক্ষকরা তাদের ভাতা উত্তোলন করতে পারেননি।
জেলা শিক্ষা অফিসার শিবুপদ দে বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের অদক্ষ অফিস সহকারীদের কারণে এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে এমনটা না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখা হবে।
পহেলা বৈশাখের আগের দিন বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উৎসবভাতা উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে চেক জমা দিয়ে তারা জানতে পারেন, তাদের ব্যাংক হিসাবে বুধবার পর্যন্ত কোনো টাকা জমা হয়নি। পরে তারা উপজেলা শিক্ষা অফিস ও হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়েও কোনো সমাধান পাননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা উৎসব ভাতা না পেলেও, আমাদের অফিসের কর্মকর্তারা ঠিকই তাদের ভাতা উত্তোলন করতে পেরেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ৭ এপ্রিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে বিল জমা দিয়েছি। আমার অফিস সহকারী শেখ শাহ আলম ও আতিয়ার রহমান বিল তৈরি করতে গিয়ে হিসাবে ভুল করায় ১২ এপ্রিল উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিলের কাগজ ফেরত পাঠিয়েছে। হিসাবরক্ষণ অফিস যদি আরও আগে বিলের কাগজ ফেরত পাঠাতো তাহলে যথাসময়ে কাগজ সংশোধন করে শিক্ষকদের ভাতা দেওয়া সম্ভব হতো।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার আমিরুল হক বিশ্বাস বলেন, শিক্ষকদের উৎসব ভাতার বিলের কাগজ আমার দফতরে ১২ এপ্রিল পৌঁছায়। বিলের কাগজে হিসাবে ভুল থাকায় ওই দিনই আমরা সংশোধনের জন্য শিক্ষা অফিসে পাঠিয়েছি। তারা সময় মতো বিলের কাগজ সংশোধন করতে না পারায় পহেলা বৈশাখের আগে শিক্ষকরা তাদের ভাতা উত্তোলন করতে পারেননি।
জেলা শিক্ষা অফিসার শিবুপদ দে বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের অদক্ষ অফিস সহকারীদের কারণে এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে এমনটা না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখা হবে।
0 comments:
Post a Comment