নববর্ষে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় ছাত্র ইউনিয়ন

10
পহেলা বৈশাখে অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিহত করতে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করবে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), রাজু ভাস্কর্য, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেইট, চারুকলাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন। ছাত্র ইউনিয়নের শতাধিক কর্মী মাথায় ক্যাপ ও গলায় স্বেচ্ছাসেবক কার্ড ধারণ করে সর্তক অবস্থান নেবে।
বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এ ঘোষণা দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জিএম জিলানী শুভ। এসময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সকলকে বিকাল ৫ টার মধ্যে উৎসবস্থল ত্যাগের নির্দেশনার সমোলচনা করে এ বিধিনিষেধ প্রত্যাখ্যান করেন। এছাড়া নববর্ষ নিয়ে সরকার দলীয় সংগঠন ওলামা লীগের বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলারও ঘোষণা দেন।
জিএম জিলানী শুভ বলেন, ‘গত বছরের ঘটনা নিয়ে সরকার ও প্রশাসন তুঘলকি কাণ্ড শুরু করে দিয়েছে। যার বেশির ভাগই অনর্থক, হঠকারী। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাঙালির প্রাণের উৎসব বর্ষবরণের আঙ্গিক ছোট করে বিকাল ৫টার মধ্যে উৎসবের প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিত্যাগ করার এক ধরনের বিধি নিষেধ জারি করেছে। আমরা এ বিধি নিষেধ প্রত্যাখ্যান করছি এবং স্বাভাবিক উৎসবের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রশাসন এর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি লাকী আক্তার বলেন, গত বর্ষবরণের দিন যৌন নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদে এক বছর লড়াই সংগ্রাম চালিয়েছি। আমরা প্রশাসনের তরফ থেকে যে বিচার প্রত্যাশা করেছিলাম তা পায়নি।  ঘটনার এক বছর পরেও তদন্ত শেষ করতে পারেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার নামে বর্ষবরণের উৎসবকে সংকীর্ণ করার চেষ্টা চলছে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন সনে গুপ্ত, ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় সংসদের সভাপতি লিটন নন্দী, সাধারণ সম্পাদক তুহিন কান্তি দাস প্রমুখ।
Share on Google Plus

0 comments:

Post a Comment