বৃষ্টি ২০ ওভারের ম্যাচটাকে ১৮ ওভারে বানিয়ে দিয়েছিল খেলা শুরুর আগেই। সাধারণত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ওভার কমে গেলে চার-ছক্কার বৃষ্টি বেড়ে যায়। সেটা আবার হতে দেয়নি ইডেনের পিচ। বল পড়ে ঘুরতে থাকল চরকির মতো। আর সেই উইকেটে ভারতীয় স্পিনারদের সামনে এমন অসহায় লাগল পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের যে রান করতে হাঁসফাঁস করে গেলেন প্রায় সবাই। ধুঁকে ধুঁকে শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর ৫ উইকেটে ১১৮। তবে উইকেটের যা আচরণ, এই রানটাও না কঠিন হয়ে যায় ভারতের জন্য!
দ্বিতীয় ওভারেই যখন রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বল হাতে দেখা গেল, বুঝতে বাকি রইল না টস জিতে মহেন্দ্র সিং ধোনির বোলিং নেওয়ার কারণ। সপ্তম ওভারে এলেন রবীন্দ্র জাদেজা, অষ্টম ওভারে সুরেশ রায়না। শারজিল খানকে ফিরিয়ে দিয়ে ধোনির মুখে প্রথম হাসি ফোটান রায়নাই। এরপর দশম ওভারে জসপ্রীত বুমরার বলে জাদেজার হাতে ক্যাচ দিয়ে আহমেদ শেহজাদও নেই। পাকিস্তানের রান তখন ২ উইকেটে ৪৬। বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়ে অধিনায়ক আফ্রিদিও করতে পারলেন ১৪ বলে ৮ রান! দলের ৬০ রানে আফ্রিদিও ফিরে যাওয়ার পর পাকিস্তান আরও চাপে পড়ে যায়। সেখান থেকে উমর আকমলের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন শোয়েব মালিক। তবে উইকেটের সুবিধা নিয়ে ভারতীয় বোলাররা এতই আঁটসাঁট বোলিং করেছেন যে প্রথম ছক্কার জন্য পাকিস্তানকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৪তম ওভার পর্যন্ত। একটি ছক্কা ও তিনটি চারে গড়া মালিকের ১৬ বলে ২৬ রানের ইনিংসটাই শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের সর্বোচ্চ।
ভারতের হয়ে ৬ জন বোলিং করেছেন, অশ্বিন ছাড়া উইকেট পেয়েছেন বাকি সবাই। তবে অশ্বিনকে খেলতেই সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হয়েছে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের। ৩ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১২ রান।
ভারতের হয়ে ৬ জন বোলিং করেছেন, অশ্বিন ছাড়া উইকেট পেয়েছেন বাকি সবাই। তবে অশ্বিনকে খেলতেই সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হয়েছে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের। ৩ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১২ রান।
0 comments:
Post a Comment