কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ছোড়ে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এতে অন্তত ৫০ জন আহত হয়। আজ শনিবার বেলা দেড়টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার কোদালিয়া এসআই উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোদালিয়া এসআই উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা কমিটি প্রায় ২২ মাস আগে প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন শিক্ষক নিয়োগ দেয়। টাকার বিনিময়ে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ করে স্থানীয় লোকজন এ নিয়োগ মেনে নেয়নি। এ নিয়োগকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ফলে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে ঢুকতে পারেননি। এই পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হয়। আজ সকালে স্থানীয় ঘাগড়া গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি ঘোষণা দেয়, আগের নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে যাবেন। এই ঘোষণায় ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসী শিক্ষকদের প্রতিহত করতে স্কুল প্রাঙ্গণে জড়ো হয়। এর জের ধরে ঘাগড়া গ্রামের আগের নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক জয়নাল আবেদিন ও কোদালিয়া গ্রামের মো. ইব্রাহিম মিয়ার নেতৃত্বে দুই গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে এক দল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৯১টি রাবার বুলেট ছোড়ে ও চারটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে এক দল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৯১টি রাবার বুলেট ছোড়ে ও চারটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

0 comments:
Post a Comment